Skip to main content

মন্ত্রী হচ্ছেন ৮ আইনজীবী

একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর টানা তৃতীয়বারের মতো মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। এবারের মন্ত্রীপরিষদে নতুন-পুরাতন মিলিয়ে ডাক পেয়েছেন ৮ জন আইনজীবী। নতুন মন্ত্রিসভায় এই আট আইনজীবীদের মধ্যে ৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রী ও একজন উপমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম আজ রোববার (৬ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এরই মধ্যে তাদের দফতরও বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত আইনজীবীদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া আটজন হলেন– সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম। তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। শ. ম রেজাউল করিম এই প্রথম এমপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।
সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী আনিসুল হককে দেওয়া হয়েছে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। তিনি এর আগেও একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নির্বাচিত হয়েছেন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪) আসন থেকে।
সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক নুরুল ইসলাম সুজন। পঞ্চগড়-২ আসন থেকে একটানা তিন বার সংদস্য সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাকে দায়িত্ব রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডা. দীপু মনি চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর- হাইমচর) আসন থেকে নির্বাচিত হন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। দীপু মনিকে এবারের মন্ত্রী পরিষদে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে নবম সংসদে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া বর্তমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হককে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্বের দায়িত্বেই রয়েছেন।
অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট বারের আরেক আইনজীবী মাহবুব আলীকে দেওয়া হয়েছে বেসরকারি বিমান ও পর্যটন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে এমপি নির্বোচিত হয়েছেন। জুনায়েদ আহমেদ পলক নাটোর-৩ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। তাকে দেওয়া হয়েছে আইসিটি প্রতিমিন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি এর আগেও একই মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছন।
পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। চট্টগ্রাম ৯ আসন থেকে তিনি এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

বিষয়সমূহ- #ধর্ষণ কাকে বলে? #ধর্ষণের শাস্তি #নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ( ২০০০ সনের ৮ নং আইন ) ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি #পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্ষনের সাজা #ধর্ষিত হলে প্রাথমিকভাবে কি করণীয়? #ধর্ষণের মূহুর্তে নিজেকে রক্ষা করার উপায় সমূহ #ধর্ষণকারীকে রাসায়নিক প্রয়োগে যৌন সক্ষমতা নষ্টের আইন পাস! #সবশেষে কিছু কথা-

#ধর্ষণ কাকে বলে? উত্তরঃ- দন্ডবিধি আইনের ৩৭৫ ধারা মোতাবেক নিম্নলিখিত পাঁচটির যে কোন অবস্থায় পুরুষ লোক কোন নারী বা স্ত্রী লোকের সহিত যৌন সহবাস করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে গণ্য হবে- ১।স্ত্রী লোকটির ইচ্ছার বিরোদ্ধে। ২। স্ত্রী লোকটির সম্মতি ব্যতীত। ৩।স্ত্রী লোকটির সম্মতি ক্রমেই, কিন্তু মৃত্যুর বা জখমের ভয় ভীতি দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে। ৪।স্ত্রী লোকটির সম্মতি ক্রমেই,কিন্তু পুরুষ টি জানে যে সে স্ত্রী লোকটির স্বামী নয়। স্ত্রী লোকটি জানে পুরুষ টি তার স্বামী, এ ভেবে স্ত্রী লোকটি ভূল করলে। ৫।স্ত্রী লোকটির সম্মতি ক্রমেই কিংবা সম্মতি ব্যতীত যদি স্ত্রী লোকটির বয়স ১৪ বছরের কম হয়। #ধর্ষণের শাস্তি: বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৮৬০ আইনের ৩৭৬ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি ধর্ষণের অপরাধ করে তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং জরিমানা দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।’ দণ্ডবিধি অনুসারে ধর্ষণ এমন একটি অপরাধ যা আমলযোগ্য কিন্তু জামিনযোগ্য নয়। এমনকি এটি মীমাংসারযোগ্যও নয়। নারী ধর্ষণ দন্ডবিধি আইনের ৩৭৫ ধারা। ধর্ষণের শাস্তি দন্ডব...

পুলিশ গাড়ি আটক করলে কী করণীয় ?

মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে- অনেকেই আছেন যারা ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি আটকালে বিরক্ত বোধ করেন বা মাথা গরম করে ফেলেন। এটা করা অনুচিত নয়। কারণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গাড়ি এবং ড্রাইভারের কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা তা প্রয়োজনবোধে চেকিং করার ক্ষমতা রাখেন। অনেকে গাড়ি আটক করলে বা পুলিশ চেকিং এর জন্য থামালে ঘাবড়ে যান। ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। পুলিশ যেসব কাগজপত্র দেখতে চায় সেসব কাগজপত্র দেখান। তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন এবং সহযোগিতা করুন। মামলার রসিদ বুঝে নিন- আপনার গাড়ির কাগজপত্র কোন সমস্যা থাকলে বা ট্রাফিক আইন অমান্য করলে পুলিশ আপনার গাড়ির কাগজপত্র জব্দ করে রেখে দিবেন। এবং আপনাকে একটি মামলার রসিদ দেয়া হবে। মামলার রসিদের সবকিছু ভালোভাবে বুঝে নিন। কোন কারণে মামলা দেয়া হলো। কত টাকার মামলা দেয়া হলো। কে মামলা দিলো, কোথায় জরিমানা প্রদান করতে হবে। এই সবকিছুই জরিমানা বা মামলার রসিদে উল্লেখ করা আছে কিনা দেখে নিন সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক পুলিশ অফিসে যোগাযোগ- মামলা প্রদানের সময় জরিমানার যে রশিদ দেয়া হয়, সেই রশিদের মধ্যে লিখা থাকে কবে কোথায় গিয়ে জরিমানা প্রদান করে জব্দ করা কাগজ ছাড়িয়ে আনতে হয়। রশিদে উল্লেখিত তারিখ সময় এবং অফি...

''খতিয়ান'' কি?

খতিয়ানঃ মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।  = সি এস খতিয়ানঃ ১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত। . =এস এ খতিয়ানঃ ১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় ব...